ভারতের মাস্টারপ্ল্যান - ইতিহাস ও- বর্তমান দেশ বিক্রয় । Bangladesh VS India Cold war 1971- 2015




মস্টারপ্ল্যান যারা বানায় ঃ




ভারতের প্রধান গোয়েন্দা দল রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র) ভারতের গুপ্তচর বিভাগ , যা ভারতের সামরিক বাহিনী বিভিন্ন দেশ এবং ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ব্যাবহার করে থাকে । বেশিরভাগ বাংলাদেশির দেখা সালমান খানের Ek Tha Tiger ছবিতে তিনি র এর এজেন্ট হিসাবে অভিনয় করেছেন । ছবি টি খুব হিরোয়িক হলেও "র " এর সাথে ইসরায়েলের মোসাদের কোন পার্থক্য নেই। এমনকি পৃথিবীর যে কয়টা ইন্টিলিজেন্স এর সাথে মোসাদ কাজ করে তার মধ্যে "র" অন্যতম । এই কুত্তার বাচ্চা গুলো আজ বাংলাদেশের প্রত্যেকটি হায়ার পজিসনে ওঃদের পা চাটা দালাল দের বসিয়েছে । অনেক ক্ষেত্রে সেই দুর্নীতিবাজ নীতি নির্ধারক নিজেই হয়ত জানেন না তিনি ভারতের " র" এর সাথে কাজ করে দেশদ্রোহিতা করছেন


তাদের মূল স্ট্রাটেজি হোল অপারেশন কেন্দ্রীয় দেশের ভিতরে একটি বিশাল নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করা. । এরা বৈধরূপে প্রতিষ্ঠিত সরকারকে উত্খাত, সন্ত্রাস ও নাশকতা উসকে রাজনৈতিক ভিন্নমত, জাতিগত বিভাগ, অর্থনৈতিক অনগ্রসরতা এবং এই রাষ্ট্রের মধ্যে গুপ্ত হত্যানির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে মিডিয়া কে ব্যাবহার করে




Open Secrets. India’s Intelligence Unveiled by M K Dhar. Manas Publications, New Delhi, 2005 বইতে এম কে ধার তার দেশের গৌরব উজ্জ্বল র এর ব্যাপক সুনাম গেয়েছেন তিনি লিখেছেন " র এমন ভাবে টারগেটেড দেশের অভ্যন্তরীণ ভবিষ্যৎ কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করে যা স্বাভাবিক ভাবে দেখতে একটি ন্যাচারাল ঘটনার মত মনে হয় , যাতে তারা সব সময়য়ই ধরা ছোয়ার বাইরে রয়ে যায় ।"


বাংলাদেশে এর অবস্থান কোথায় এবং কিভাবে এর সচ্ছ ধারনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেই । তবে সার্বিক ভাবে বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহ বিশ্লেষণ এবং কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভিন্ন বিভাগের সাথে এদের একাধিক বার সংঘর্ষ হয়েছে । কিন্তু দিন দিন ভারতীয় সেনাবাহিনীর কুকুর গুলো আরো শক্তিশালী হয়ে গেছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পড় থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অনেক জেনারেল চুপ হয়ে গেছেন , এবং "র "এর এজেন্ট রা এখন ডিজি এফ আই এর অফিসে প্রকাশ্যে অবস্থান গ্রহন করেছে । সেনাবাহিনীর কোথায় কাউকে পদোন্নতি বদলি করা হবে তাও ডিসাইড করছে ।



Dr Shastra Dutta Pant একজন নেপালি এনালিস্ট এবং জাতীয়তাবাদী তার Machination of RAW in South Asia and Movement of RAW in Nepal " বইতে উল্লেখ করেছেন "The main objective of the RAW is to create internal trouble in neighbouring countries and take benefit from the trouble that the neighbouring countries face' মানে " র এর প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রতিবেশি দেশে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা এবং সেই  দ্বন্দ্ব কে কাজে লাগিয়ে প্রতিবেশি দেশ থেকে সুবিধা আদায় করা "

Divide and Rule Theory

এবং আমরা স্পষ্টতই দেখতে পাচ্ছি আজকে বি এনপি আর আওয়ামিলিগির মধ্যে দা কুড়াল সম্পরক্য তৈরি করে আওয়ামিলিগ সরাকারের রাজনৈতিক দুর্বলতা কে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের মাঝখান দিয়ে ভারতের রাস্তা করার পরিকল্পনা বস্তবায়ন করেই ফেলছে মনে হয় কিন্তু এটা সত্যি বাঙ্গালিরা রা মরে নাই । একাত্তর হয়ত আজকের তারুন্য দেখে নাই , তবে একাত্তর কেন হয়েছিল তারুন্য জানে এবং এর সম্মান দিতে জানে  । এই দেশ বিক্রির ট্রানজিট কখনই বাংলাদেশীরা বাস্তবায়ন করতে দেবে না । আজ হোক কাল হোক সকল রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে ভারত কে দেওয়া ট্রানজিট প্রত্যাহারে আমরা আশা করি বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক , অরাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন কাধে কাধ মিলিয়ে এগিয়ে যাবে  । যারাই বিরোধিতা করবে একাত্তরের মত নব্য রাজাকার হিসাবে দেশের ইতিহাসে লেখা থাকবে তাদের নাম  ।




ভারতের পররাষ্ট্র নীতির বিশ্লেষণ দেখায় যে ভারতীয় সরকার তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য অর্জনের জন্য আক্রমনাত্মক মনোভাব ব্যাবহার করছে ।ভারতকে বিশ্বের মাঝে একটি গুরত্বপুরন দেশ হিসাবে তুলে ধরতে এবং দক্ষিন এশিয় এলাকায় নিজেদের আধিপত্য  বজায় রাখতে এদের যত রক্ত দরকার এরা নিতে দ্বিধা করে না । যারা খবর রাখেন তরা হয়ত মনে রাখবেন নেপালের রাজ পরিবার হত্যার কথা


ইংরেজ দের কাছ থেকে দেশ ভাগ হবার প থেকেই র নেপেলাএ প্রকাশ্য এবং অ প্রকাশ্য ভাবে বিভিন্ন কভারট অপারেশন চালিয়েছে । নেপালের রাজপরিবার ভারতের কমন ঈন্টারেস্ট এর সাথে না মেলার কারনে নেপালে বিভিন্ন চরমপন্থি সংগঠনকে অস্ত্র দিয়ে সে দেশের সরকারকে বেকায়দায় ফেলে এখন নেপাল কংগ্রেস এর বেসিরভাগ সিট দখল করে আছে ভারতের পা চাটা কুকুর গুলো ।এ নিয়ে  নেপালের সেনাবাহিনী এবং বুদ্ধিজীবীদের মাঝে অনেক কন্সপিরিসি থিউরি আছে link



বাংলাদেশে কিছুদিন আগে পাওয়া ব্যাপক অস্ত্র সস্ত্র এবং  যে ইসলামিক জঙ্গিদের ধরা হচ্ছে বলে খবর আসছে তাদের মধ্যে ৮০% ক্ষেত্রে সেই সল্প শিক্ষিত মানুষদের ব্রেইন ওয়াশ করে "র "এর ঈন্টিলিজেন্ট ব্রেইন অয়াশ ইউনিট । এরা সল্প শিক্ষিত মুসলিমদের আবেগের উপর খেলে তাদের চরম্পন্থি কিংবা জঙ্গি হিসাবে তৈরি করছে । যা বাংলাদেশকে বিশ্বের মাঝখানে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসাবে অধিষ্ঠিত করবে । হয়ত অদূর কোন  ভবিষ্যতে সেই সন্ত্রাসী রাষ্ট্র  কে সন্ত্রাস মুক্ত করতে বাংলাদেশের রাস্তায় ভারতীয় ট্যাঙ্ক দেখা যেতে পাড়ে । বলবে আমাদের বাস ট্রাক এর নিরাপত্তার জন্য ট্যাঙ্ক ঢুকাচ্ছি , আর বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদ ভারতের জন্য হুমকি  । আমেরিকা যে স্টাইলে ইরাক আক্রমন করেছিল আরকি ।



১৯৭১ এ যখন বাংলাদেশীরা নিজেদের প্রানের জন্য আর স্বাধিনতার জন্য যুদ্ধ করছে তখন এই যুদ্ধ ছিল "র" মানে ভারতের এর জন্য পাকিস্তান আলাদা করার মাস্টার প্ল্যান । এবং পূর্ব পাকিস্তান মানে বাংলাদেশকে ভারতের একটি পশ্চিম বঙ্গের মত দাশ অঙ্গরাজ্য বানানোর চক্রান্ত । ওরা হয়ত ভুলে গিয়েছিল ওঃদের বাপ ইংরেজ রা পুড়া ভারত দখল করার সব শেষে অনেক কষ্টে এই বাংলাদেশে দখল করতে পেরেছিল ।এবং তখনকার ব্রটিশ সাম্রাজ্যের মাঝখানে সবচেয়ে বেশি আন্দোলন এবং প্রতিরোধ এই বাংলাদেশের মানুষরাই করেছিল এই বাঙলার বাঙ্গালিরা যে সব সময়য়ই ইক্টু বেশি ঘাউরা ছিল তা ইশা খা আর বার ভুইয়া দের ইতিহাস পড়লেই বোঝা যায় । খোদ মুঘলরাই অনেক কাহিনি করার পড় বার ভুইয়া দের ঠাণ্ডা করতে পেরেছিল ।


আর দেশ নিতে আসছে ইন্ডিয়া  , ওরা বাংলাদেশীদের এখন চিনে নাই ।


ইন্ডিয়ার " র " এর ফ্যক্ট বইতে বাংলাদেশের সৃষ্টি র এর সবচেয়ে বড়  ব্যারথতা বলে ধরা হয় । কারন তাদের প্ল্যান ছিল বাংলাদেশকে ইন্ডিয়ার অঙ্গরাজ্য বানাতে কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান , কর্নেল এজি এম ওসমানীর মত ব্যাক্তিদের দূর দৃষ্টির কারনে খালি হাতেই ফিরতে হয় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ।


১৯৭১ এ যখন বাংলাদেশের দামাল ছেলেরা নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে পাকিস্তানীদের বারোটা বাজায় দিসে । সব জায়গা থেকে পাকিস্তানি রা রি ট্রিট করছে ওঃদের ফোরস । তখন বিশ্ব জয় করেছে এমন ভঙ্গিমায় ভারতের সেনাবাহিনী বাংলাদেশে প্রবেশ করে গান গেয়ে , শুয়ে বসে থেকে এরা এসে পাকিস্তানের সাথে চুক্তি করে। ভাব টা এমন যুদ্ধ তো আমরাই করলাম , স্বাধিন ও আমরাই করে দিলাম ।এবং পরিকল্পিত ভাবে ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কোন সেক্টর কমান্ডার কিংবা কমান্ডার ইন চিফ কে আসতে দেওয়া হয় নি ।






১৬ ই ডিসেম্বর যখন পাকিস্তান আর্মি সারেন্ডার করবে বাংলাদেশ এর কাছে । কর্নেল এজি এম ওসমানী তখন সিলেট থেকে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় আসছিলেন। তার হেলিকপ্টার সিলেটে গান ফায়ার এর সম্মুখীন হয় এবং ক্রাশ লান্ড করে এবং তিনি কোন রকম বেচে যান । কিন্তু তখন ওই এলাকায় তখন কোন পাকিস্তানি আর্মি ছিল না , কারন ১১ ই ডিসেম্বর থেকেই পাকিস্তান আর্মি ঢাকায় আসতে শুরু করে ।
তাহলে প্রশ্ন থেকে যায়
কারা ফায়ার করেছিল কর্নেল ওসমানীর হেলিকপ্টারে ? 
তাহলে কি ১৯৭১, ১৬ই ডিসেম্বরেই আমাদের কমান্ডার ইন চিফ কে মেরে ফেলার প্ল্যান করা হয়েছিল ?
M. A. G. Osmani
M. A. G. Osmani
কিংবা প্ল্যান করা হয়েছিল যাতে তিনি ঢাকায় আসতে না পড়েন ।  এবং পরবর্তীতে ওই এলাকায় ইন্ডিয়ান আর্মির সারভিল্যান্স জীপ তাদের উদ্ধার করে । সবকিছুর মূল উদ্দেশ্য ছিল নিয়াজির সাথে যেন মুক্তি বাহিনীর চুক্তি না হয় । ইতিহাসে যেন তা ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ নামে লেখা থাকে । একটা সই আর অনুষ্ঠান কিভাবে বর্তমান কে প্রভাবিত করেছে তা দেখাই যাচ্ছে । আজ বাংলাদেশের কিছু জারজ জ্ঞ্বানপাপি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের দামাল ছেলেদের খাটো করে যখন তার বন্ধু ভারতের চোগল খোরি করে তখন মনে হয় একাত্তর আবার ফিরে আসবে । নব্য রাজাকারদের আবারো বিচার হবে , নিজামি , মুজাহিদের মত ওরাও যে গাদ্দারি করছে ।


  মুক্তিযুদ্ধ সবসময়ই সেক্টর কমান্ডার এবং বাংলাদেশ আর্মির প্ল্যান এর মাধ্যমে পরিচালিত হোত । মুক্তিযুদ্ধ শুরু হবার ৮ মাস পড় যখন বিজয় হাতের নাগালে তখন কলকাতায় বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দিয়ে বাংলাদেশ মুক্তি বাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড নভেম্বর মাসে ঈন্ডিয়ান আর্মি ইস্টার্ন কমান্ড কে দেওয়া হয় । তখন চিফ অফ কমান্ড ওসমানী কুড়িগ্রামে স্ব শরীরে যুদ্ধ ক্ষেত্র দেখতে গিয়েছিলেন ।তিনি ফিরে এসে এ নিয়ে প্রচণ্ড রেগে যান এবং তাজউদ্দীন এর কাছে রেজিগনেশন এর কথা বলেন । ওসমানী সব সময়য়ই ঈন্ডিয়ার রুলিং টেন্ডিনশির কথা মনে রাখতেন । ঈন্ডিয়া যে অস্ত্র বা লজিস্টিক সাপোর্ট দিছে তা রাশিয়া ও আন্তর্জাতিক মাধ্যমেই দিচ্ছে । তাই হয়ত সার্বিক দিক বিবেচনা করে ওসমানী কে ১৬ই ডিসেম্বরই মেরে ফেলার প্ল্যান হয়েছিল । কর্নেল এজি এম ওসমানী বলেছেন ইন্ডিয়া না আসলে হয়ত আর কিছুদিন লাগত ঢাকা দখল করতে ।




বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিপূর্ণ ভেজাল বিহিন ইতিহাস ১৯৭১ নেটওয়ার্কে প্রকাশিত হবে । এ নিয়ে এক্সটেণ্ডেড রিসারচস হচ্ছে ।



১৯৭১ এর পড় যখন অনেক আক্ষেপ নিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপ মুলত রাশিয়া এবং চায়নার চাপে পড়ে ১৯৭২ তে বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে হয় । বাংলাদেশ ছেড়ে যাবার সময় ফকিরের মত ট্রাক পড় ট্রাক অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে যায় ভারত , যা ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মানে আমাদের প্রাপ্য ।



প্রত্যক্ষ ভাবে সেনাবাহিনী চলে গেলেও পর্দার আড়ালের গুপ্তচর রা রয়ে যায় । যুদ্ধ বিপর্যস্ত দেশের বিভিন্ন বিষয় কে পুজি করে বাংলাদেশকে ডি মিলিটিরাইসড করার উদ্দেশ্যে সকল মুক্তি যোদ্ধা দের কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে নেওয়া হয় । জীবন বাজি রেখে যে দামাল ছেলেরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধিন করেছিল তাদের দেয়া হোল ইক্টি সার্টিফিকেট কেড়ে নেওয়া হোল ন্যায় প্রতিষ্ঠার অস্ত্র ।

অনেকে বাকশাল তৈরি এবং বঙ্গবন্ধুর কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন সমালোচনা করলেও,  বাস্তবতা ছিল  তখনকার রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের খুবি কম নিতেন বঙ্গবন্ধু । বেশিরভাগ গুরত্বপুরন সিদ্ধান্ত আসত ভারতীয় সেনাবাহিনীর রিসার্চ উইং থেকে । যা পারতপক্ষে মানতে বাধ্য হতেন বঙ্গবন্ধু । মুক্তিযোদ্ধাদের হাত থেকে অস্ত্র নিয়ে নেওয়া , রক্ষি বাহিনী গঠন করে তাদের মুক্তিযোদ্ধা দের থেকে বেশি প্রায়োরিটি দেওয়া , মুজিব ইন্দিরা চুক্তির মত কালো চুক্তি র সকল স্ট্রাটেজিক সিদ্ধান্ত আসত লাল টেলিফোনে ।

 বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একনিষ্ঠ সৈনিক কর্নেল ওসমানীর সাথে প্রতক্ষ বিরোধ দেখা দেয় ভারতীয় কাউন্টার পার্টের । পরবর্তীতে মুজিবুর রহমান রাশিয়া এবং কিছু বিস্ব নেতাদের সাথে বৈঠকে ভারতের একনিষ্ঠ প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত করেন । কারন তিনিও বুঝতে পেরেছিলেন এক পাকিস্তানকে সরিয়েছেন আরেক পরাধীনতার স্বারক যুকে বসে আছে বাংলাদেশের বুকে বন্ধুত্বের নাম নিয়ে ।





তার পড়ের ইতিহাস সত্য মিথ্যা সকলেরই কম বেশি জানা । বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রত্যেকটি কাণ্ডারিকে এক এক পড় পড় হত্যা করা হয়েছে । হত্যা করা হয়েছে যারা আমাদের সম্ভাব্য নেতা হতে পাড়তেন । বঙ্গবন্ধু যেখানে ৯ মাস পাকিস্তানে থেকে এলেন তাকে কিছু করা হোল না সেই .

বঙ্গবন্ধু কেন আজ আমাদের মাঝে নেই ?একজন রাষ্ট্র নেতা কে হত্যা করার জন্য শুধুমাত্র আঞ্চলিক ক্ষমতাই দরকার হয় না এতে বড় কোন কাল শক্তির ইন্ধন না থাকলে তা সম্ভব নয় । তখন এই ঢাকা শহরে সবচেয়ে বেশি ঈন্ডিয়ান এজেন্ট ছিল । তারা যদি আসলেই জানত বঙ্গবন্ধুর জীবনের ঝুকি আছে তাহলে তা কেন স্পেসিফিক ভাবে বলা হোল না । বললেন ইন্দিরা গান্ধী ফোন করে ।



১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের এক সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত হয় যে, উভয় দেশ একটি চুক্তিতে আসার আগে ভারত ফারাক্কা বাঁধ চালু করবে না। মুলত বঙ্গবন্ধুর আন্তর্জাতিক পরিচিতির কারনেই ভারত তখন পর্যন্ত ফারাক্কা চালু করার সাহস করে নাই ।যদিও বাঁধের একটি অংশ পরীক্ষা করার জন্য বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৫ সালে দশ (২১ এপ্রিল ১৯৭৫ থেকে ২১ মে ১৯৭৫)
কিছু দিনের জন্য ভারতকে গঙা হতে ৩১০-৪৫০ কিউসেক পানি অপসারণ করার অনুমতি দেয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় নির্মম ভাবে সপরিবারে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট । ভারত ১৯৭৬ সালের শুষ্ক মৌসুম পর্যন্ত গঙা নদী হতে ১১৩০ কিউসেক পানি অপসারণ করে তাহলে  বঙ্গবন্ধুকে কারা, কখন , কোথায় হত্যা করবে তা কি খুব ভালভাবেই জানত ঈন্ডিয়ান এজেন্টরা  ?। নাকি ভারতের বৃহত্তর স্বার্থে এক ভাবে উস্কে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ড । যাতে ফারাক্কা নিয়ে কোন উচ্চ বাচ্চ না হয় । অভ্যন্তরীণ কোন্দলি তখন সবচেয়ে বড় ইস্যু হবে । সুক্ষ ভাবে ঘটনার সময়কাল আর বাস্তবতা বিচার করলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে ভারতের পরেক্ষ সমর্থন ছিল বলেই মনে হয় ।



আজকে বঙ্গবন্ধু বেচে থাকলে ফারাক্কার পদ্মা আর ধু ধু মাঠ থাকত না , পদ্মার পাড়ের হাজার , হাজার হেক্টর জমি পতিত থাকত না , আমার বাংলাদেশের তিতাস নদিতে বাধ থাকত না , মোদী সাহেব এসে বাংলাদেশ কেনার প্লান করার সাহস পেত না । তবে বঙ্গবন্ধু মরে জান নি তার আদর্শ আর দেশপ্রেম কখন মারা যাবে না যুগে যুগে আরো বঙ্গবন্ধুর দেখা মিলবে যারা পরাধীনতার শেকল থেকে মুক্ত করবে এই বাংলাদেশ কে ।


১৯৭৫ সালের অনেক ঘটনার পড় জেনারেল জিয়া যখন বাংলাদেশের হাল শক্ত করে ধরেছেন , দেশকে কিছুটা সামনে এগিয়ে নি যেতে চেষ্টা করছেন ।। দেশের শাসন ভার নেবার পড়েই জাতিসঙ্গে সাধারন অধিভেশনে ফারাক্কা নিয়ে
প্রস্তাব উঠান হয় ।২৬ নভেম্বর ১৯৭৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ভারতকে বাংলাদেশের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এই বিষয়টির সুরাহার করার নির্দেশ দিয়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে। কয়েকবার বৈঠকের পর উভয় দেশ ৫ নভেম্বর ১৯৭৭ সালে একটি চুক্তি করে। এর পড় থেকেই প্রেসিডেন্ট জিয়া পড়ে যান হিটলিস্টে । ভারত বুঝতে পাড়ে উনি বঙ্গবন্ধুর মতই আপোষহীন ।



১৯৭৬ সাল থেকে ভারত সেনাবাহিনীর নতুন প্লান ছকতে থাকে বাংলাদেশ কে আলাদা করার জন্য । পার্বত্য জেলা বান্দরবন ও খাগড়াছড়ি সহ পুড়ো চিটাগাং জেলা নিজেদের কবজায় আনতে তারা তৈরি করে শান্তি বাহিনীকে আধুনিক অস্ত্র সস্ত্র এমনকি অটোমেটিক মেশিনগান সাপ্লাই করা হয় খাগড়াছড়ি বান্দরবন এলাকায় । যার পেছনে মদদ দাতা ছিল ভারত তা আজ ওপেন সিক্রেট । কিন্তু তার পড়েও যারা ভারতকে জিগারের দোস্ত ভাবতে ভালবাসেন তাদের জাতীয়তা নিয়ে সন্ধেহ প্রকাশ করে বাংলাদেশ নামের অস্তিত্ব ।ওদের অস্ত্র গুলা কি আপনাদের বাপে দিয়া আসছিল শান্তি বাহিনিরে ।
শান্তু লারম র এজেন্ট এর সাথে ডানে ৩ নাম্বার 



যখন জিয়া এগিয়ে যাচ্ছেন । সার্ক প্রতিষ্ঠা করেছেন রিজিওনাল পাওয়ার ব্যালেন্সের জন্য , ভারতের সাথে টক্কর দেওয়ার জন্য । বিভিন্ন বিশ্ব নেতাদের সাথে দেখা করছেন । বিশ্বের মাঝে যখন মাথা উঁচু করে দাড়াতে শুরু করল বাংলাদেশ আবারো এক কালো রাতে বঙ্গবন্ধুর মত তাকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হোল । আজ যদি জিয়া আর বঙ্গবন্ধু বেচে থাকতেন দেশটা হয়ত মালশিয়াকে ছাড়িয়ে যেত । যেখানে আজ বাংলাদেশীরা মালোশিয়া যাওয়ার জন্য ট্রলারে উঠে ।এই হত্যার পেছনে প্রত্যক্ষ ভাবে অংশ গ্রহন করে ভারতের এজেন্ট রা । সর্বোপরি এটিও ভারতের র এর একটি মাস্টার প্ল্যান ।




অনেকেই তার পড়েও বলেনযে এসব করে তার জেনুইন প্রমান কি ।
  তাদের একটি প্রশ্ন আপনি যে আপনার বাবার সন্তান তার প্রমান কি ?

ডি এন এ প্রযুক্তি ছাড়া এটা প্রমান করার ১০০% অথেনটিক কোন যুক্তি নেই আপনার কাছে । আপনার শৈশবের ঘটনাপ্রবাহ আর পারিবারিক স্ট্রাকচার দেখে আপনি বলতে পাড়েন উনি আপনার বাবা । ঠিক তেমনি ঘটনাপ্রবাহ , উদ্দেশ্য আর ইতিহাস ও কিছু নথির মাধ্যমে স্পষ্ট বাংলাদেশে শত ঘটনা প্রবাহের মধ্যমনি অন্য কোন মাস্টার মাইন্ড ।







এখন ট্রানজিটের মাধ্যমে আবারো আঘাত আসছে বাংলাদেশের স্বাধিনতার উপর । এ হোল এক সিস্টেমেটিক চেঞ্জ অভার থিউরি । আপনি না হোক যখন আপনার সন্তান , তার পড়ের সন্তান রা বাংলাদেশের রাস্তায় ঈন্ডিয়ান ট্যাগের গাড়ি দেখবে তখন আর ভারতকে যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে তার রাজ্য বানাতে হবে না আমাদের পরবর্তী জেনারেশন নিজে থেকেই মাদার ঈন্ডিয়ার কাছে যাওয়ার জন্য মিছিল করবে । অলরেডি ৮, ৯ বৎসরের ছেলে পেলে ডোরেমন দেখে বাংলায় কথা বলা ভহুলে গেছে ।







এখন প্রশ্ন হোল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমরা কি দিয়ে যাব ?
 একটি পঙ্গু পরাধিন বাংলাদেশ !!! ?  । যার প্রতি হাজারো বৎসরের সুপার পাওয়ার দের চোখ ছিল দখল নেওয়ার , নাকি একটি স্বাধিন , আত্মনির্ভরশীল জাতি যা তাইওয়ান এর মত বিগ ব্রাদার চিনের সাথে টক্কর দেবে ।




এখন হয়  মিছিলে   নামবেন বাংলাদেশের জন্য ?
 না হয় আপনার সন্তান ভারতের অঙ্গরাজ্য হওয়ার জন্য  মিছিল করবে ,

কি চান ?




জবাব দিন ?

৬টি মন্তব্য:

সপ্নের ডানা বলেছেন...

লেখাটি অনেক ভাল লেগেছে । মনে হয় নিজের মনের কথাটাই এখানে এসেছে । বাংলাদেশের ইতিহাসে দল মত নিরবিশিশে কেউ কখন আন্দোলন করেছে বলে মনে হয় না । তবুও অনেক বৎসর পড় মনে হয় এই ইস্যুতে বাংলাদেশ একত্রিত হলেও হতে পাড়ে । আর শিবির যাতে এই ইস্যুতে রাজনীতি না করতে পাড়ে তার দিকে খেয়াল দেওয়া উচিত । সামনে এগিয়ে যান আমরা আপনাদের পাসেই আছি

1971 Youth Command বলেছেন...

ধন্যবাদ আমরা আসলে সত্য ইতিহাস গুলোই তুলে ধরেছি । আমরা আশা করি যদি আমরা সবাইকে সচেতন করে তুলতে পাড়ি তাহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই এই ট্রানজিট বাতিল করবেন । কিন্তু তা করতে আমাদের তাতে বাধ্য করতে হবে । আর এই ইস্যুতে যে কেউ রাজনীতি করতে পাড়ে , শিবির ট্রানজিট বাতিল দাবি করলেই যে রাজাকার আর কেউ ট্রানজিট এর পক্ষে কথা বললে ভদ্র সে রকম কোন কথা নেই । তবে আমরা এই আন্দোলন সকল কে নিয়েই করতে চাই । ছাত্রলীগ , শিবির , মৈত্রী সবাই মিলেই । শত হোক আমরা সবাই বাংলাদেশী

কাক নিয়ে গেছে কান বলেছেন...

হালায় কিছু বাংলাদেশী আছে যারা অগো মাদার ইন্ডিয়ারে পাড়লে গিয়া চুম্মা চাটি করে । গওহর তো দেশটারে বেইচ্চা দিল , মাদার চোদ । আসলে হাসিনা মনে হয় নিজেও "র " রে ভয় পায় । কবে না জানি কাইত বানায়া ফালায় । হাসিনা ম্যাডাম অ আমাদের চিন্তায় আছেন । আর দউরাচ্ছেন ভারতের পিছনে । আসলে কাক নিয়ে গেছে কান

1971 Youth Command বলেছেন...

The revolution is not an apple that falls when it is ripe. You have to make it fall." - Che Guevara

নামহীন বলেছেন...

এগুলো সব বাড়াবাড়ি । আজ ভারত আছে বলেই আমরা আছি । ভারত বাংলাদেশের বিভেদ হয়েছিলই তো ইংরেজদের মাধ্যমে । এপার বাঙলা আর ওপাড় বাঙলা আজ আলাদা । আমাদের একসাথেই থাকা উচিৎ ছিল । আমি প্রাথনা করি যেন আমাদের নাতিরা যেন ভারতে এপার বাঙলার সাথে যোগ দেয়

1971 Youth Command বলেছেন...

আপনাদের মত এহেন জারজ বাংলাদেশী এই বাংলাদেশে আছে বলেই আজ ট্রানজিট বাতিলের জন্য আন্দোলন করতে হয় । তা না হলে তো ট্রানজিটের সুরুটাই আসত না ।জাতিসত্বার অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়ে দালালি করে যাচ্ছেন । যান গঙ্গায় গিয়ে পাপ ডুব দিয়ে আসুন এতে যদি পাপের মোচন হয়

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

We want to reach to what all Bangladeshi intellectuals and all national political forces agreed upon from the necessity of Bangladesh passing by a period of transition and to be ruled by a public character which has been agreed upon for the sake of the nation, its dignity and establish the principles of democratic governance
And one of the most important features of that period is the release of public freedom and the rules of democratic political practice and the forming of political, social entities and others as soon as being notified
পোস্ট নিয়ে আপনার যে কোন মন্তব্য দিতে পাড়েন ও তথ্যসুত্র আমাদের কাছে জানতে চাইতে পাড়েন । ১৯৭১ ইউথ কমান্ড একটি সোশ্যাল অয়াচডগ।কোন প্রোপ্যাগান্ডা তৈরি করা নয় সত্যকে সঠিক রূপে তুলে ধরাই আমাদের উদ্দেশ্য । বাংলাদেশের স্বাধিনতার বিপরীতের যে কোন কিছুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল ১৯৭১ নেটওয়ার্ক ,মানে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সচেতন ব্যাক্তি। আমাদের কমান্ড কাউন্সিলে যোগ দিতে চাইলে কিংবা আপনার কাছে যদি কোন কনফেডিন্সিয়াল তথ্য থাকে তা আমাদের ্মেইল করতে পাড়েন 1971.network@gmail.com মেইল এড্রেস এ । যদি পড়ে ভাল লাগে , তাহলে আরেক বাংলাদেশীদের সাথে শেয়ার করুন, যা আপনার দায়িত্ব ।